কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ এ ০৩:২০ PM
কন্টেন্ট: নোটিশ প্রকাশের তারিখ: ৩০-০৪-২০২৫ আর্কাইভ তারিখ: ৩০-০৬-২০২৬
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনির আওতায় দরিদ্র মা'র জন্য
মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির তথ্য
মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচিতে প্রথম ও দ্বিতীয় (দুইটি) সন্তানের জন্য ভাতা পেয়ে থেকেন। এই কর্মসূচিতে গর্ভবতী মা ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদে যেয়ে করতে পারেন। প্রতি মাসে মাসে এনরোলমেন্ট ও প্রতি মাসে মাসে ভাতা প্রদান করা হয় এবং গর্ভবতী মায়ের এ এন সি কার্ড বাধ্যতামূলক। স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের মাধ্যমে আবেদনকারীর গর্ভ তথ্য যাচাই করা হয়। এই ভাতা প্রদান কর্মসূচির আওতায় বর্তমানে ৩৬ মাস ৮৫০ টাকা হারে ভাতা পাচ্ছেন। প্রতিমাসে ভাতা প্রদানের পাশাপাশি মা ও শিশুর পুষ্টি, শিশুর মনো-সামাজিক বিকাশ এবং বুদ্ধি বৃত্তিক বিকাশ বিষয়ে অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে নিয়মিত অংশগ্রহন করছেন। সরকারের জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল অনুযায়ী ২০২৬ সালের মধ্যে ০ থেকে ৪ বছরের মোট শিশুর অর্ধেক অর্থাৎ ৫০% কে এই কর্মসূচির আওতায় সহায়তা দেয়ার পরিকল্পানা রয়েছে যার সম্ভব্য সংখ্যা ৬৫ লক্ষ শিশু।
মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচিতে আবেদনের যোগ্যতা –
# বয়স ২০-৩৫ বছর এর মধ্যে হতে হবে
# এন আই ডি কার্ড বাধ্যতামূলক থাকতে হবে
# এ এন সি কার্ড বাধ্যতামূলক
# প্রথম অথবা দ্বিতীয় গর্ভবস্থা আবেদন করা যাবে
# নিজ নামে পছন্দসই অনলাইন/মোবাইল ব্যাংক একাউন্ট থাকতে হবে
# পারিবারিক মাসিক আয় সর্বোচ্চ ৮০০০ টাকা
এই কর্মসূচিতে ২০২০ ২০২১ অর্থবছরে অর্থ বরাদ্দ ৭ শত উনচল্লিশ কোটি বিশ লক্ষ টাকা যা জাতীয় বাজেটের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ১% অংশ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাস্তবায়িত বাজেটের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ৩০% অংশ
উভয় কর্মসূচিতে (মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচি এবং মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি) সঠিক ভাতাভোগী খুজে বের করা আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় অধিদপ্তর সরাকরের ডিজিটাল বাংলাদেশের অঙ্গিকার অনুযায়ী কর্মসূচিগুলোর জন্য আবেদন প্রক্রিয়া উন্মুক্ত করে দিয়েছে যার ফলে পাওয়ার উপযোগী যে কোন ভাতাভোগী অনলাইনে ইউনিয়ন ও পৌরসাভায় ডিজিটাল সেন্টারসমূহে গিয়ে নিজে আবেদন করতে পারেন তাছাড়া ও টোল ফ্রি নম্বর ৩৩৩ ও সরকারের এক সেবায় ফোন করে আবেদন করতে পারেন। পাশাপাশি অধিদপ্তর ইতোমধ্যে ভাতাভোগীর অর্থ শতভাগ ডিজিটাল পদ্ধতিতে জিটুপি বা সরকার থেকে সরাসরি ভাতাভোগীর নিজস্ব হিসাব নম্বরে প্রেরণ করছে। কোন ভাতাভোগী ভাতা প্রাপ্তি হতে বঞ্চিত হলে বা হয়রানির দ্বিকার হলে অধিদপ্তরে অভিযোগ জানাতে পারবেন এবং অতিদ্রুত প্রতিকারের জন্য একটি অভিযোগ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ার প্রচলণ করা নিয়ে আমরা কাজ করছি। আশা করছি সামাজিক নিরাপত্তার ভাতা আরো দক্ষতা ও দ্রুততার সাথে এদেশের অবহেলিত নারী ও শিশুদের নিকট সরকারের ওয়াদা অনুযায়ী পৌঁছে দিতে পারব।